গ্লোবাল ট্যুর: রমনা পার্ক বিশালসবুজের সমারোহ ঘটেছে এই রমনা পার্কে। বিশাল আয়তনের এই বাগানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ এবং ফুল গাছ। পার্কের একপাশ দিয়ে বয়েগেছে একটি আকাঁবাঁকা লেক। লেকের পানিতে নৌকা চালিয়ে ঘুরতে পারেন।
এই পার্কটি ১৬১০ সালে মোঘল আমলে প্রতিষ্ঠা করা হয়। মোঘলরাই রমনার নামকরণ করেন। পুরানো হাইকোর্ট ভবন থেকে পূর্বের সড়ক ভবন পর্যন্ত মোঘলরা বাগান তৈরী করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে কোম্পানী আমলে এ এলাকা জঙ্গলে পরিণত হয়। পরবর্তিতে ব্রিটিশ আমলে ঢাকা নগর উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় যার অন্যতম ছিল রমনা এলাকার উন্নয়ন। এ সময় এলাকার একটি অংশ ঘেরাও করে ঘোড়দৌড় বা রেসকোর্সের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর অন্য অংশটিকে রমনা গ্রিন নাম দিয়ে যাত্রা শুরু করে আজকের রমনা পার্ক। বর্তমানে রমনা পার্কে প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হয়। রমনার বটমুলে ছায়ানটের আয়োজনে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান এখন অনেক জনপ্রিয়।
রমনা পার্কের পাশে রয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, সুপ্রীম কোর্ট ভবন, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, বাংলা একাডেমী, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র, চারুকলা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ, পাবলিক লাইব্রেরী, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বারডেম হাসপাতাল, ঢাকা ক্লাব, টেনিস কমপ্লেক্স ণ পুরানো হাইকোর্ট ভবন, তিন জাতীয় নেতা শেরে-বাংলা এ.কে ফজলুল হক, খাজা নাজিমুদ্দিন এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সমাধি।
কিভাবে যাবেন: দেশ থেকে সড়কপথ, রেলপথ ও আকাশপথে এবং বিদেশ থেকে আকাশপথে ঢাকায় যাওয়া যাবে। ঢাকা শাহজালাল বিমান বন্দর, কমলাপুর রেলষ্টেশন, সদরঘাট, সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল অথবা গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে প্রাইভেট ট্যক্সি করে রমনা পার্কে যাওয়া যাবে। ঢাকার গুলিস্তান, কাকরাইল, পল্টন, প্রেসক্লাব, শাহবাগ, মগবাজার, হাইকোর্ট ও ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের যেকোন স্থান হতে সিএনজি ও রিকশাযোগে রমনা পার্কে যাওয়া যাবে।
Visit Our Social Site: Group: https://www.facebook.com/groups/globaltourb Page: https://www.facebook.com/globaltourb
Recent Comments