গ্লোবাল ট্যুর: জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে সাভার নবীনগওে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত লক্ষ লক্ষ অজানা শহীদদের স্মৃতিতে নির্মিত হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এ স্থানটি নির্বাচনের কারণ এখানে অনেক গণকবর পাওয়া যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে চির স্বরণীয় করে রাখার জন্য এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। ৮৪ একর জমির এর মধ্যে ৪০ একর জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছে স্মৃতিসৌধ। ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে স্মৃতিসৌধের নির্মণ কাজ শেষ হয়। এর ডিজাইনার প্রকৌশলী মইনুল হোসেন। সৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট। ৭টি ত্রিভ’জাকৃতির স্তম্ব দিয়ে সৌধ গঠিত। এই স্তম্ব গুলো দিয়ে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোল থেকে শুরু করে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ১৯৫৮ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ আন্দোলনকে বুঝানো হয়েছে। সর্বোচ্চ স্তম্ব দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে বুঝানো হয়েছে। এই সৌধের বৈশিষ্ট্য হলো দিক পরিবর্তন করলে ভিন্ন ভিন্ন আকৃতি মনে হয়। এখানে রয়েছে কৃত্রিম জলাশয়, যেখানে স্মৃতি সৌধের ছবি প্রতি ফলিত হয়। আরো রয়েছে নানা জাতের ফুলের বাগান, উন্মুক্ত মঞ্চ, অভ্যর্থনা কেন্দ্র ও মসজিদ।
কিভাবে যাবেন: দেশ থেকে সড়কপথ, রেলপথ ও আকাশপথে এবং বিদেশ থেকে আকাশপথে ঢাকায় যাওয়া যাবে। ঢাকা শাহজালাল বিমানবন্দর, কমলাপুর রেলষ্টেশন, সদরঘাট, সায়দাবাদ বাসটার্মিনাল, মহাখালী বাসটার্মিনাল অথবা গাবতলী বাসটার্মিনাল থেকে প্রাইভেট ট্যক্সি করে স্মৃতিসৌধে যাওয়া যাবে। ঢাকার থেকে স্মৃতিসৌধে যাওয়ার জন্য অনেক গুলো বাস রয়েছে। ঢাকার মতিঝিল, গুলিস্তান, শাহবাগ, ফার্মগেট, আসাদগেট, শ্যমলী, মহাখালি, বিশ^রোড ও মিরপুর থেকে নবীনগর অথবা সরাসরি স্মৃতিসৌধে যাওয়া যাবে।
প্রবেশফি: জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশের জন্য কোন ফি দিতে হয়না।
সময়সূচি: দর্শনার্থীদেও জন্য প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জাতীয় স্মৃতিসৌধ খোলা থাকে।
Visit Our Social Site: Group: https://www.facebook.com/groups/globaltourb Page: https://www.facebook.com/globaltourb
Recent Comments