গ্লোবাল ট্যুর: সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জল জনপদ সোনারগাগাঁও। ১৩৩৮ সালে বাংলার স্বাধীন সুলতান ফকরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁও এ রাজধানী স্থাপন করেন। সোনারগাঁও এর প্রাচীন নাম ছিলো সুবর্ণ গ্রাম। ইবনে বতুতা ১৩৪৫ সালে সোনারগাঁও ভ্রমণ করেছেন এবং এ এলাকাকে উন্নত এলাকা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এলাকার লোকজন অন্যান্য এলাকার থেকে শস্য উৎপাদনে এবং অর্থনৈতিক ভাবে বেশি স্বাবলম্বি ছিলো । ধারনা করা হয় যে, এ কারণে এ এলাকার নাম সোনারগাঁও হয়েছে। আবার অনেকের মতে ঈশা খার স্ত্রী সোনাবিবির নামে এ এলাকার নাম করন করা হয়েছে। প্রাচীন বাংলার বিধ্বস্ত রাজধানী হিসেবে আজো দশর্নীয় সোনারগাঁও এর ধ্বংসচিহ্নের মধ্যে রয়েছে সুরম্য প্রাসাদ, পানাম নগর, রাজবাড়ি, পোদ্দার বাড়ি, সর্দার বাড়ি, বিরাট দিঘি, ইলিয়াস শাহী বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুলতান গিয়াস উদ্দিন আযম শাহের মাজার ইত্যাদি। পুরাতন নির্মান শৈলী মানুষকে মুগ্ধ করে। রয়েছে আকাবাকা লেক। বিখ্যাত শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনসোনারগাঁওকে একটি লোক কারুশিল্পের আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তুলেছেন। এখানে রয়েছে, কারুদ্বীপ, কারুপল্লী, সর্দার বাড়িতেরয়েছে গ্রামীন শিল্পের জাদুঘর, তাত পল্লী, একাডেমিক ভবন, গ্রন্থাগার ইত্যাদি। ঢাকা থেকে ২৫ কিলোমিটার পূর্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে এবং মেঘনা নদীর তীরে সোনারগাঁও অবস্থিত। সোনারগাঁওয়ের কাছেই রয়েছে বাংলার তাজমহল।
সময়সূচি : শুক্রবার থেকে বুধবার সকাল বিকাল ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে। বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ছুটি।
কিভাবে যাবেন: দেশ থেকে সড়কপথ, রেলপথ ও আকাশপথে এবং বিদেশ থেকে আকাশপথে ঢাকায় যাওয়া যাবে। ঢাকা শাহজালাল বিমান বন্দর, কমলাপুর রেলষ্টেশন, সদরঘাট, সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল অথবা গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে প্রাইভেট ট্যক্সি করে সোনারগাঁও যাওয়া যাবে। ঢাকার গুলিস্তান থেকে সেতু পরিবহন, দোয়েল পরিবহন, স্বদেশ পরিবহনে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা। সেখান থেকে রিকশায় গোনারগাঁওয়ে যাওয়া যাবে।
Visit Our Social Site: Group: https://www.facebook.com/groups/globaltourb Page: https://www.facebook.com/globaltourb
Recent Comments